আরো টিকার খোঁজে বাংলাদেশ সরকার
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশকে ভারত সরকার ২০ লাখ করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে পাঠায় বৃহস্পতিবার এগুলো ঢাকায় পৌঁছে।
ভারত সরকার থেকে বাংলাদেশের এই ভ্যাকসিন ছাড়াও আরও তিন কোটি করোনার টিকা নিশ্চিত করেছেন। তবে এতে বাংলাদেশ সরকারের হবেনা। বাংলাদেশ সরকার আরও টিকার খোঁজ করছে যাতে করে বাংলাদেশ টিকেট অভাব বা ঘাটতি না হয়।
ভারত সরকার বাংলাদেশকে তিন কোটি করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন চালান করবে প্রতি এক মাসে অর্ধকোটি করে করোনার ভ্যাকসিন দিয়ে থাকে বাংলাদেশ সরকারকে।
ভারত ছাড়া বাংলাদেশ সরকার করোনার টিকা নিতে চায়। যদিও এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশের রাখার মতো অবকাঠামো বাংলাদেশের নেয়।। কেননা এই টাকাগুলো রাখতে হবে বিয়োগ ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এছাড়া অন্য একটি সংস্থা বাংলাদেশকে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ২০% করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে এই ২০% বাংলাদেশের জনগণের জন্য করনা ভাইরাসের টিকা হবে না। কেননা ২০ পার্সেন্ট প্রায় সাত কোটির মত ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকার হয়তো এই আশ্বাস থেকে পেতে পারে। তবে বাংলাদেশে যেহেতু ১৭ কোটি জনগণ বাস করে তাই বাংলাদেশের জন্য কোন ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে চৌত্রিশ কোটি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন।
এবং এই ৩৪ কোটি করোনার ভ্যাকসিন যাতে খুব দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে আনা যায়। এবং বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা করা যায় সেই ব্যাপারে সরকার আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ছাড়া অন্য একটি প্রতিষ্ঠান থেকে করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আনতে যাচ্ছে। যেগুলো বাংলাদেশ তারা ডায়াল করতে চাচ্ছে। এছাড়াও চীনের একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাংলাদেশ পরীক্ষা করতে চাচ্ছে।
বাংলাদেশের সরকার বিভিন্ন দেশের সংস্থাগুলো থেকেও করোনাভাইরাস পরীক্ষিত ভ্যাকসিন গুলো আনার জন্য চেষ্টায় আছে।
যে সমস্ত দেশগুলোর টিকা বানাতে পারে কোন ভাইরাসের ভ্যাকসিন বানাতে চাচ্ছে সবগুলো দেশের সাথেই সরকার যোগাযোগ রাখতে চেষ্টা করছে।
এছাড়াও যে সমস্ত দেশ গুলো বাংলাদেশের করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষা করতে চাচ্ছে তারা যদি ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দেয় তাহলে হয়তো আমরা প্রসেস দেখে তাদেরকে বলতে পারি।
হয়তো রাশিয়া আমাদেরকে করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষা করার জন্য বলতে পারে। তবে তারা এখনো আবেদন করেনি যদি সেটা সুরক্ষিত হয় তাহলে আমরা সেটিও নেওয়ার চেষ্টা করব। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিগুলো যখন আমাদেরকে পেপার গুলো ঠিকঠাক মত দেবে তখন আমরা সেগুলো বিবেচনা করে দেখবো বলে জানিয়েছেন।
করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন খোঁজার জন্য বিভিন্ন সংস্থা থেকেও পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলছে যে একটি সংস্থার পক্ষে হয়তো এতগুলো ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব না বা দিতে নাও পারে। তাই বিভিন্ন সংস্থা থেকে নেওয়ার জন্য বলছে। যত বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের প্রয়োজনে ৩৪ কোটি ভ্যাকসিন লাগতে পারে বা লাগবে।
