ছিটমহলবাসী এবার ঘর পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে

Bangla news

ছিটমহলবাসী এবার ঘর পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে


ছিটমহলবাসী এবার ঘর পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে


বাংলাদেশ থেকেও যারা কোন ঠিকানায় ছিল না। যাদের কোন ঠিকানা ছিল না। জানে না কোন রাষ্ট্রে সেটাও তারা জানত না। সেটি ৫ বছর আগে নির্ধারণ করা হয়েছে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে। এবং সেই ছিটমহল বিনিময় করার পর বাংলাদেশের ছিটমহল বাসি প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে পাকা দালান ঘর পাচ্ছে।

যারা অনেক কষ্টের পরও নিজেদের ঘর জোগাতে পারেনি। নিজেরা ঘর দেখার স্বপ্ন দেখেছে কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন করতে পারেনি নিজেরা ঘর তৈরি করতে পারেনি। সেটা তারা এখন খুব সহজেই পেয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্য উপহার দিচ্ছেন সে জন্য তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি খুশি।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামের একটি উপজেলাতে অনেকগুলো ঘর দিয়েছেন।

কুড়িগ্রামের একটি উপজেলাতে পাঁচটি পরিবারকে ঘর সহ জমি দেওয়া হচ্ছে এতে করে তারা অনেক অনেক খুশি।

যেখানে ৫ বছর আগে ছিল সেট মহল করে গ্রাম থেকে একটু ভিতরে প্রায় তিন কিলোমিটার এবং প্রায় দেড় হাজার একর আয়তন ছিল প্রায় দেড় হাজার একরের বেশি এবং সেটি ছিল ভারতের এবং সেখানে প্রায় 9 হাজার লোকজন বাস করত যাদের জাতীয়তা ছিল ভারতে।

তবে এখন আর সেটি ভারতে নয় এখন সেটা বাংলাদেশ। এবং সেখানে লোকজনও বাংলাদেশের। এবং সেই সময় থেকেই বাংলাদেশের সে মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীর উপর অনেক খুশি হয়েছে। এবং এখন তো আরো খুশি। তারা একজন জানাচ্ছেন যে তাদের ঘরের অভাব রয়েছে সেটি এখন প্রশ্ন হতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তাদের রইল কৃতজ্ঞতাবোধ।

তাদের মধ্যে একজন জানান কোনরকমে কৃষি কাজ নিয়ে তাদের সংসার চলত। ঘর করার তাদের ইচ্ছা ছিল তবে সে সামর্থ্য তাদের ছিল না। সময়ের দরকার ছিল কিন্তু এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেই ঘর উপহার পেয়ে তারা অনেক খুশি হয়েছে এবং তাদের ঘর দেখার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

এক প্রকল্পের কর্মকর্তা জানান প্রথম অবস্থায় প্রায় 70 হাজারের মতো লোকজনকে ঘরবাড়ি দেওয়া হবে। যাদের জমি নেই জায়গা নেই। যাদের ঘর পারেনি তাদেরকে জমি এবং ঘর দেওয়া হবে এবং যা প্রায় 70,000 লোকজন।

এছাড়াও কয়দিনের মধ্যে প্রায় 66 হাজার লোকজনকে পরিবারকে খাস জমির মালিকানা দেয়া হবে। এবং মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে।।

এছাড়া পুনর্বাসনে ব্যবস্থা করা হচ্ছে বেশকিছু জেলা উপজেলা এবং গ্রামাঞ্চলে কিছু পুনর্বাসন নির্মাণ করা হবে। যেগুলোর মাধ্যমে লোকজন তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা পাবে।

এছাড়া কুড়িগ্রামে বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রায় দেড় হাজারের বেশি পরিবারকে বাড়ি করে দেওয়া হতে পারে এবং হবে।

যারা বাড়ি পৌঁছে তারা বলছেন যে তাদের এতদিন কোনো পরিচয় ছিল না। আজ তাদের একটা পরিচয় হয়েছে বাড়িতে তারা নিজেদের ঘর-বাড়িতে আছে। তাদের নিজের একটা পরিচয় হিসেবে তারা দাঁড় করাতে পেরেছে প্রধানমন্ত্রীর কারণে।