বিশ্বের শীর্ষ ধনী এখন এলন মাস্ক।
নতুন বছরের শীর্ষ ধনী নিয়ে চমক নতুন বছরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় চলে এসেছে এলন মাস্কের নাম। যিনি এখন বিশ্বের ১ নাম্বার ধনী। কিছুদিন আগে যিনি ছিলেন বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার এলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। যার মাধ্যমে তিনি বিশ্বের এক নম্বর ধনী হন। এবং দ্বিতীয় যিনি বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী তিনি তার সম্পদের পরিমাণ ১৮৪০০ কোটি ডলার।
বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর ধনী এলন মাস্ক স্পেসএক্স এর মালিক। আর বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী জেফ বেজোস আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
গত বৃহস্পতিবার টেসলার স্পেসএক্সের পুঁজিবাজারে শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়াতে এলন মাস্ক এক নম্বর তালিকায় চলে আসে। যার ফলে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে যায় জেফ বেজোস। উল্লেখ্য জেফ বেজোস বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মধ্যে একজন হয়ে ওঠেন ২০১৭ সাল থেকে।
এলন মাস্ক এর সম্পত্তির পরিমাণ পাহাড় সমান হয়ে উঠে যায় বিদায়ী বছরে। যদিও ২০২০ সালের শুরুতে এলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ছিল ২৭০০ কোটি ডলার। সেখানে ২০২০ সালের শুরুতেই সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ হাজার পাঁচশ কোটি ডলার। এবং ২০২০ সালে বিশ্বের ধনীর ৫০ জনের তালিকায় উঠে এসেছে। ২০২১ সালের গত ১২ মাসে এলন মাস্ক এর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে ৯ গুণ বেড়ে ১৬ হাজার কোটি ডলার বেড়ে যায়। এর কারণ হিসেবে টেসলার স্পেসএক্সের ইলেকট্রিক কাজের চাহিদা বৃদ্ধির জন্যই এলন মাস্কের সম্পত্তির পরিমাণ এত বেড়ে যায়। আর তাছাড়া পুঁজিবাজার ও তার শেয়ারের পরিমাণ বেড়ে যায়।
আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো দেড় বছর আগেও অ্যালোন মার্কসের শেয়ারের মূল্য কমে যায় এবং সেই কমে যাওয়া তে বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হয়েছিলেন মাস্ক। এজন্য তাকে অনেক প্রশ্নবিদ্ধ অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল যদিও বর্তমানে তার শেয়ারের দাম বেড়ে যায় তাই নয় কোন
এলন মাস্ক ২০২০ সালের জুলাইয়ে বিনিয়োগ গুরু ওয়ারেন বাফেটকে হটিয়ে বিশ্বের সপ্তম ধনী হয়ে যান। তারপরেই ২০২০ সালের শেষের দিকে বিশ্বের সেরা ধনীদের মধ্যে অন্যতম। এবং বিশ্বের কোন এক সময়ে কিছুদিন আগেও যিনি বিশ্বের ১ নাম্বার ধনী ছিলেন যদি তিনি তখন দ্বিতীয় ধনী ছিলেন ২০২০ সালের শেষের দিকে তাকে সরিয়ে ২০২০ সালের শেষের দিকে বিল গেটসকে টপকিয়ে তিনি হয়ে যান বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী।
উল্লেখ্য বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী মাইক্রোসফট এর মালিক বিল গেটসের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার।
