টাকা পরিবহনে পুলিশী নিরাপত্তা কম, আগ্রহ কম
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর গুলোতে নগদ টাকা ও পরিবহনের প্রায়ই ছিনতাই হয়ে থাকে। তবুও জনগণ এতে নিরাপত্তা জোরদার দিতে জনগণ আগ্রহী না। এবং পুলিশের কাছ থেকেও সেরকম নিরাপত্তা চায় না।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন যে, জনগণ এখন পর্যন্ত টাকা পরিবহনের সেরকম নিরাপত্তা জোরদার দিতে চাচ্ছে না। তারা আমাদের কাছ থেকে সে রকম ভাবে নিরাপত্তা চাচ্ছে না। যদিও টাকা আনা নেয়ার সময় অনেক সমস্যা হয় অনেক ছিনতাই হয়।
ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে নেয়ার পথে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অনন্য মানুষজন ছিনতাইয়ের কবলে পড়েন। দিনে-দুপুরে অনেক সময় ছিনতাই হয়ে যায় টাকা
এবং অনেক সময় দেখা যায় ছিনতাই করার সময় আহত হন এমনকি অনেক সময় নিহত পর্যন্ত হতে হয় টাকার জন্য।
ঢাকা পুলিশের কিছু দল আছে যেগুলো এসব সেবা দিয়ে থাকে টাকা আনা-নেওয়ার সময় নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।
যদিও পুলিশ এ ব্যাপারে সেবা দিতে আগ্রহী তবে সাধারণ লোকজন এবং ব্যবসায়ীরা সেরকম আগ্রহ প্রকাশ না করার জন্য এ সেবা দিতে পারছেনা।
বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের সময় ছাড়া কেউই টাকা আনা-নেওয়ার সেবাটা বা নিরাপত্তা নিচ্ছে না। ঈদের সময় তখনো হয়তো অল্প দুই-একজন এইসব সেবা নিয়ে থাকে। নিরাপত্তার ব্যাপারে তারা বলে থাকে। অন্য সময় হয়তো তারা এ ব্যাপারে আগ্রহী না এবং এই ব্যাপারগুলোতে তারা নিরাপত্তা চায় না।
ঢাকা শহরে বিভিন্ন সময় দেখা যায় দিনে-দুপুরে ছিনতাইয়ের নিকট অনেকে প্রাণ হারাতে হয়। হারাতে হয় তাদের শেষ সম্বল টুকু।
কখনো কখনো দেখা যায় ব্যাংকের টাকা ও ডাকাতির মতোই ছিনতাই করা হয়েছে। উধাও হয়ে যায় গাড়ি থেকে টাকার বস্তা
কিছুদিন আগে দেখা যায় একটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা তুলে আনার পথে প্রায় আশি লাখ টাকা উধাও হয়ে যায়। তারপর পুলিশে জানালে পুলিশ বিভিন্ন ভাবে বেশ কিছু টাকা এবং এর সাথে যারা জড়িত ছিল তাদেরকেও আনতে সক্ষম হয়েছিল। এই ব্যাপারে যদি পুলিশ থেকে বলা হতো এবং নিরাপত্তা চাওয়া হতো তাহলে হয়তো এই ঘটনা ঘটতো না।
আরেকটি ঘটনা দেখা যায় এটি ব্যাংকের এজেন্ট এর লোকজন টাকা যখন লেনদেন করতে গেল বা মূল ব্যাংকে গেল তখন পথে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল বা গাড়ি থেকে টাকা উধাও হয়ে গেছে। এবং উধাও হওয়ার সাথে সাথে তারা যখন পুলিশকে জানায় বিষয়টা তখন পুলিশ এ ব্যাপারে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
ঢাকা শহরে এমন হয়ে থাকে যে, টাকা নিয়ে যাওয়ার পথে দিনে দুপুরে বাইকে লাথি মেরে ফেলে দেয়া হয় এবং তাদেরকে মেরে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এছাড়া বিভিন্ন শহরে দেখা যায় টাকা ছিনতাই করার সময় তারা গুলি পর্যন্ত ব্যবহার করে। ফাঁকা আওয়াজ করে সন্ত্রাসীরা ছিনতাইকারীরা।
পুলিশ বলছে এ ব্যাপারে যত শীঘ্রই লোকজন আগ্রহ প্রকাশ করবে। টাকা আনা-নেওয়ার ব্যাপারে তারা সেবা চাইবে। ততই এসব সমস্যা গুলো কমে আসবে এবং তারাও টাকা আনা-নেওয়ার সময় নিরাপত্তা দিবে।
