প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদেরকে যে সমস্ত উপহার দিয়েছেন যে সমস্ত উপহার দিচ্ছেন সেগুলোর আওতাভুক্ত হয়ে আসছেন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজন। ৫০ জন মানুষ পাচ্ছেন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য কর্মসংস্থান।
সিরাজগঞ্জে পঞ্চাশটি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ ৫০ টি বাড়িঘর পাচ্ছে এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য হাঁস মুরগি গরু পাচ্ছে।
তারা জানান যে আগে মানুষের কাছ থেকে ভিক্ষকের মত করে হাত পাততে হতো। মানুষের কাছ থেকে জোর করে টাকা নিতে হত। কত মানুষের কাছে হাত পেতে পেতে টাকা নিয়ে বাঁচতে হত। জীবিকা নির্বাহ করতে হতো। এখন আর হয়তো সেটা করতে হবে না। সেটাই কারণ হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে উপহার দিয়েছেন।
এতদিন তাদের আশ্রয় ছিল না ।তাদের কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। তাদেরকে মানুষের কথা শুনতে হতো। তাদের কোনো পরিচয় ছিল না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন তাদেরকে ঘরবাড়ি দিয়েছেন। সেহেতু তাদের এখন আশ্রয় হয়েছে। তাদেরকে আর মানুষের কাছ থেকে হাত পেতে পেতে টাকা নিতে হবে না। না নেওয়ার চেষ্টা করবে তারা এখন সম্মান পাবে।
তাদের যেহেতু বাড়ি ছিল না সেহেতু তারা সমাজে কোন সম্মান পেত না। সমাজের মানুষজন তাদের সাথে মিশত না। এখন তাদের ঘরবাড়ি হয়েছে তারা অন্যদের মত সম্মান পাবে।
তাদের মধ্যে একজন হলেন ছোটবেলায় তার জন্য তার বাবা-মাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। নানান জনের নানান কথা বলেছে তাকে এবং তার বাবা মাকে তাদের কথা সহ্য করতে না পেরে মানুষের এই বঞ্চনা এবং নানা কথার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।
তারপর এক মার কাছে তিনি বড় হন। এবং সেখানেই তিনি থাকেন এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের দিকে নজর দিয়েছেন এবং তারা এবার ঘর পেয়েছেন। তারা সেখানে থাকবে তাদেরকে সম্মান করবে যদিও এতদিন আমাদের সাথে মিশবো না লোকজন।
আরেকজন জানান তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বাড়ি পেয়েছে ঘর পেয়েছে। এবং তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে দশটি গরু রয়েছে যেগুলো তারা লালন-পালন করে আয় করতে পারবে। এবং সেখান থেকে চারটি গরু এখন দুধ দিচ্ছে। সেই দুধ বিক্রি করে তারা তাদের রোজগার করতে পারবে।
আরেকজন জানান তারা এখন শাকসবজির চাষ করছেন। তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী শাকসবজির চাষ করছে যেখান থেকে তারা তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারবে এবং তারা বিক্রি করে টাকা পাবে।
এছাড়াও তারা বিভিন্ন কর্মকান্ড এবং বিভিন্ন কর্মসংস্থান তারা খুঁজে নেবে। সেখানে তারা তাদের বাড়ি বা তারা জমি পেয়েছে আজ এগুলো থেকে তারা তাদের চাষ করতে পারবেন। এছাড়া তারা হাঁস-মুরগি এগুলো পালন করে তারা রোজগার করতে পারবে তাদেরকে আপনার মানুষের কাছে হাত পাততে হবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালে হিজরাকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এখন আবার তাদেরকে ঘরবাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজর তাদের প্রতি আছে।
