দুদক কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব নেয়া হোক: উচ্চ আদালত
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান কমিশনের সহ সকল কর্মকর্তাদের সম্পত্তির হিসাব নিকাশ দেয়া হোক বলে জানান উচ্চ আদালতের বিচারক।
দুর্নীতি দমন কমিশন সব প্রতিষ্ঠানে এবং অনেক ব্যক্তিদের সম্পদের হিসাব নিয়ে থাকে কিন্তু সম্প্রতি দেখা যায় নানা ঘটনায় তাদের আলোচনায় উঠে এসেছে। তাদের কথা নানা গুঞ্জন দেখা যায়। তাই তাদেরও সম্পত্তির হিসাব দেওয়া হোক বলে জানান উচ্চ আদালতের বিচারপতি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত ফলাফলের ভিত্তিতে একটি নিরাপদ আর ছেলে মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের ১৫ বছরের সাজা বাতিল হয়েছে. এটি বৃহস্পতিবার রুহুল শুনানিতে আসে। এবং সাজাও বাতিল হয়।এরই পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের বিচারপতি দুদকের সকল কর্মকর্তাদের প্রতি এ কথা বলেন যে তাদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়া হোক।
দুর্নীতি দমন কমিশনের সকল কর্মকর্তা যদি তাদের সম্পত্তি হিসেবে জনগণের সামনে তুলে ধরে তাহলে তাদের দুর্নীতি কমিশন এর গ্রহণযোগ্যতা মানুষের কাছে জনগনের কাছে আরো বেশি বেড়ে যাবে। তাই তাদেরকে ও জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পত্তির হিসাব তুলে ধরতে হবে তুলে ধরা দরকার।
গতকাল উচ্চ আদালত কামরুল ইসলামের সাজা বাতিল করেন এবং মামলাটিকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া কামরুল ইসলামকে আটক মামলায় আসল জনকে অপরাধী না হওয়ার শর্ত যুক্ত করার জন্য যারা যারা জড়িত আছেন সে সমস্ত কর্মকর্তাদের বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উচ্চ আদালত বলেছে।
বিচারকরা আরও বলেন যদি কামরুল ইসলাম তার সাজা তার ক্ষতিপূরণ চায় তাহলে দুদকে তাকে আবেদন করতে হবে এবং সেটি দুদক বিবেচনা করতে হবে।
এর আগেও দুদক নরসিংদীর একটি পাট কলকারখানায় শ্রমিকদের সাজা দেওয়ার ঘটনায় সমালোচনায় উঠে এসেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন ওইখানেও দেখা যায় দুর্নীতি দমন কমিশন নিরপরাধ শ্রমিকদেরকে সাজা দিয়েছেন। এতে করে তাদের সমালোচনা উঠে আসে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমালোচনা জড়িয়ে পড়ে।
কামরুল ইসলামের জন্ম তারিখ এবং আসল ব্যক্তির জন্ম তারিখে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এছাড়া আসল ব্যক্তি তার বাসার ঠিকানা বদলেছে এছাড়া ওই ঘটনায় বিয়ে-শাদী এইসব বিষয় জড়িত রয়েছে। এবং প্রশ্নপত্র জালিয়াতি ও এর সাথে উঠে এসেছেন।
এছাড়াও সেখানে যারা আসামি ছিল তার নাম ঠিকানা এসব বিষয়গুলো আছে তারপরও তারা ভুল করে কামরুল ইসলামকে দায়ী করে এবং দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিয়েছিল সাজিয়ে পাইয়া দিয়েছিল।
উচ্চ আদালতের বিচারকরা বলেন এখানে পাবলিক প্রসিকিউটরের দায় রয়েছে। এছাড়াও এ মামলাটি যিনি তদন্ত করেন তিনি কে ছিলেন এবং এটি তার প্রথম তদন্ত ছিল তাই তো আরো ভালো করা উচিত ছিল
এসব বিষয়ে চিন্তা করেই উচ্চ আদালত বলেন যে অনেক সমালোচনা জড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু ভুলবশত তাদের সমালোচনা উঠে এসেছে। যদিও দুদুক অনেক ভালো কাজ করছেন। তাই তাদেরকে ও যদি সম্পত্তির হিসাব দেয়া হয়। তাহলে জনগণ তাদেরকে আরো ভালো করে গ্রহণযোগ্য করে নেবে।
