সেনা বাহিনীর হাতে সুচি আটক
মায়ানমা রাষ্ট্রপ্রধান সুচিকে সেনাবাহিনী আটক করেছে।
সুচি আবারও নতুন করে রাষ্ট্র প্রধান হন এবং নির্বাচনে জয়লাভ করেন। কিন্তু দেখা গেল প্রথম অধিবেশন হওয়ার কথা ছিল সে অধিবেশন না হওয়ায় এবং হওয়ার আগেই সুচিকে সেনাবাহিনী আটক করে নিয়েছে।
গত মঙ্গলবার সুচির সরকার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে বা তার আগেই সুচিকে সেনাবাহিনী আটক করে নিয়ে যায়। শুধু সূচি সূচির সাথে যারা আছে তাদেরকে সেনাবাহিনী হেফাজতে নিয়ে যায়।
তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো সুচিকে কোথায় আটক করে রাখা হয়েছে সেটা এখন পর্যন্ত কেউ জানেনা। সেনা বাহিনীর কর্মকর্তারা এ সমস্ত কাজ করেছেন এখন পর্যন্ত জানা যায় নি সুচিকে তারা কোথায় হেফাজতে রেখেছেন তা কেউ জানে না। এমনকি সূচি নিকটাত্মীয় কেউ জানে না।
এটা নিয়ে দেশটিতে কবে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামরিক শাসন আবার আসতে চলেছে বলে অনেকে মন্তব্য করে চলছে। এ থেকে কবে আবার সামরিক শাসন থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে। সেটা এখনো নিশ্চিত হতে পারছে না কেউ। তবে সুচিকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন রকম সমস্যা গুলো সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন কিছু আইন জারি হতে চলছে মায়ানমার রাষ্ট্রে সুচিকে আটক করার পর পর।
সামরিক বাহিনী আগামী এক বছর মায়ানমারে জরুরি আদেশ জারি করেছে। এবং ব্যাংক এটিএম বুথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শুধু তাই নয় এমনকি নেটওয়ার্ক পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মায়ানমারে এখন সবাই আতঙ্ক পড়ে রয়েছে।
অনেকেই এদিন বাজার করতে গিয়ে বাজার করতে পারেনি। এমনিতে চলে আসতে হয়েছে অনেককে সেনাবাহিনীকেও চলে আসতেছে। এখন তেমন একটা রাস্তাঘাটে বের হচ্ছে না প্রয়োজন ছাড়া।
উল্লেখ্য যে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের উৎপাত করতে চেষ্টা করে। এবং রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার করে। যার ফলে রোহিঙ্গারা বাধ্য হয়ে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে।
বাংলাদেশের সরকার অনেক চেষ্টার পরও জাতিসংঘে অনেক নেতা এবং বিভিন্ন সংগঠন গুলো অনেক চেষ্টা করেও রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মায়ানমার পাঠাতে পারেনি। অনেকবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মায়ানমার সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হয় কিন্তু তাদের কোন প্রকার লাভ হয়নি।
সুচিকে আটক নিয়ে চীন এবং আমেরিকার বিভিন্ন রাষ্ট্রগুলো তাদের মন্তব্য জানিয়েছে আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মায়ানমার সেনাপতি দের প্রতি বলেছেন যাতে খুব শীঘ্রই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এবং চীনন তাদের আশা করছি খুব শীঘ্রই যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে এমনটাই তারা আশা করছে।
এছাড়া প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও দেখা দিয়েছে এর প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া। বাংলাদেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেল সংবাদপত্রগুলো এছাড়াও বিভিন্ন বুদ্ধিজীবীরাও এ বিষয়টা নিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন দীর্ঘবছর মায়ানমারে সামরিক শাসন ছিল এবং সেটা পতন ঘটিয়ে সুচি গণতন্ত্র নিয়ে আসে। কিন্তু আবার হয়তো মিয়ানমার সামরিক শাসন দেখা দিতে পারে সূচি আটকের মাধ্যমে।
