ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে অগ্নিকাণ্ড নিহত হয়েছে পাঁচজন

Bangla news

 ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে অগ্নিকাণ্ড নিহত হয়েছে পাঁচজন


ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে অগ্নিকাণ্ড নিহত হয়েছে পাঁচজন


ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই ইনস্টিটিউটে অগ্নিকাণ্ড ঘটে যায়। এ অগ্নিকাণ্ডে সেরামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন পাঁচজন আহত হন অনেকে।


তবে সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কর্মকর্তা জানিয়েছেন এ, অগ্নিকান্ডের জন্য কোন ভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে কোনো রকম বাধা বিপত্তি বা সমস্যা হবে না। 


২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরের পর সেরামে ইনস্টিটিউটে অগ্নিকাণ্ড ঘটে ঘটনার পরপরই পনেরোটি ফায়ার সার্ভিসের দল গঠন স্থানে চলে আসে। এবং পুরো তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে আবার আগুনের উত্তাপ বাড়তে থাকে এবং অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা বেড়ে রায়। 


সেরাম ইনস্টিটিউট প্রায় ১০০ একর জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠা। এবং এটি সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে ভারতে করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হয়ে থাকে। সেরাম ইনস্টিটিউটে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ কোটি করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়ে থাকে। যেখান থেকে নিম্ন এবং মধ্য আয়ের দেশগুলোর করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করবে ওখানে থাকবে। করনা ভাইরাসের জন্য ইনস্টিটিউট এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার এবং উৎপাদনের অনেকগুলো দেশ তাকিয়ে আছে। আর এসময় হয়েছে ঘটনাটি অনেক দেশের জন্যই হয়তো কিছু হতে পারে অথবা কোন কিছু নাও হতে পারে।


বাংলাদেশে করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন এর জন্য ভারতের কাছ থেকে করোনাভাইরাস টিকা কিনতে যাচ্ছে। 


ইনস্টিটিউটের নির্মাণাধীন ভবনের একটি গেটের এক নম্বর গেটের টার্মিনাল থেকে এ আগুন ধরে। পরে সেখান থেকে ভ্রমণটি চতুর্থ এবং পঞ্চম চালাতে আগুন লাগে। যেটি আগুন বাড়ার সম্ভাবনা কে আরো বাড়িয়ে দেয়। 


এরপর সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেরাম ইনস্টিটিউটে চলে আসে এবং ভবন থেকে নয় জনকে উদ্ধার করে। 


এ বিষয়ে অনেক নেতা কর্মীরা সেখানে চলে আসে এবং হতাহতদের সমবেদনা জানান।


এছাড়াও ইনস্টিটিউটের প্রধান হতাহত এবং অগ্নিকাণ্ডে যে সমস্ত লোকেরা ছিল তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।


করনা ভাইরাসের টিকা যেখানে রিজার্ভ করে রাখা হয় সেখানে আগুন ঘটেনি। তবে আগুন যেখানে ঘটেছে সেখানে থেকে করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন যেখানে রাখা হয় সেখানে কিছু মিনিটের দূরত্ব মাত্র। তবে এ ঘটনার জন্য সেখানে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন। কারণ এ ধরনের ঘটনার জন্য তারা কয়েকটি ভবন  রিজার্ভ রেখেছেন।


তবে এখন পর্যন্ত জানা যায়নি আগুনের কারণ কি ছিল কেন আগুন ঘটেছিল। তবে অনেকে ধারণা করছেন এ কোন কোন মাধ্যমে হয়তো যেখানে ভবনের কাজ নির্মাণ করা হচ্ছে সেখান থেকে হয়তো আগুনের সূত্রপাত করতে পারে।


করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদনের দ্রুতির জন্য সেখানে আরও আটটি ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হতে পারে এবং সেগুলো সরবরাহ করা যেতে পারে।