করোনা ভাইরাসের টিকা পেতে যোগাযোগ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
করোনা ভাইরাসের টিকা তৈরিতে যেসব দেশ এগিয়ে গেছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি জানান, যে টিকা সবার আগে পাওয়া যাবে, কার্যকর হবে সেটি আনার চেষ্টা করবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ভ্যাকসিন তৈরিতে এখন বেশ কয়েকটি দেশে তৃতীয় ধাপে আছে। আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করছি যে ভ্যাকসিন দেশের মানুষের জন্য ভালো হবে , কার্যকর হবে বা সবচেয়ে তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে আমরা তা আমার চেষ্টা করব।করো না বাইরে আছে বিশ্বে এখন পৌনে দুই কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত এবং পৌনে ৭ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে জানা যায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস এর ১৬০ টিকা উদ্ভাবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও যুক্তরাজ্যের টিকা কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে এখন মানবদেহে পরীক্ষামূলক চলছে।
চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের তৈরি করা টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকার প্রথম ধাপের ফল গত মাসের শেষে প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে বলা হয় এটিকে নিরাপদ এবং করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সক্ষম হবে। এছাড়াও রাশিয়া আগামী অক্টোবরেই গণহারে করোনা ভাইরাসের টিকা প্রয়োগের বিষয়টি ঘোষণা দিয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, দেশে করোনা ভাইরাস এর মৃত্যুর সংখ্যা কমতে থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আমরা একটু হলেও স্বস্তির মধ্যে আছি গত কয়েকদিনে মৃত্যু সংখ্যা অনেক কমে গেছে। যেটা গড়ে ৪০ ছিল গত দুই থেকে তিন দিন যাবত এটা ২০ ঘরে চলে আসছে । এটা যদি বজায় থাকে আমরা মনে করি সফলতা আমরা আনন্দিত যে মৃত্যু কম হয়েছে। আস্তে আস্তে যদি শূন্যের কোটায় নেমে আসে তাহলে আমরা আলটিমেড গোল অ্যাচিভ করতে পারব।
জাহিদ মালেক আরো জানান, ঈদে লোকজন বাড়িতে গেছে বিভিন্ন স্টিমারে করে গেছে বাসে করে গেছে।
আমরা দেখেছি যে গাদাগাদি করে ফেরিতে পার হয়েছে।
আমরা একটু আশঙ্কা করি কিছুটা সংক্রমণ বাড়তে পারে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান , দেশে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তৎপর রয়েছে ।পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।