বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরাই
চলতি বছর অর্থাৎ 2021 সালে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পরীক্ষা অংশগ্রহণ করবে। যেহেতু মহামারী করোনাভাইরাস এর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ আছে তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরে এ বিষয়ে বেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি পরীক্ষায় বসবে।
তবে এতে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারবে না। যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে বা আবেদন করবেন সবাই কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কারণ হলো যখন তারা ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করবে তখন সেখান থেকে আবার যাচাই-বাছাই করে একটি তালিকাও প্রকাশ করবে। ওই তালিকায় যারা সুযোগ পাবে তারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে আর বাকিরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
অন্য সময় দেখা গিয়েছিল যে সাধারণত পয়েন্ট অনুযায়ী ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারত যাদের পয়েন্ট থাকতো তারা আবেদন করতে পারে না। যাদের পয়েন্ট থাকতো না তার আবেদন করতে পারতোনা আবেদন যারা পড়তে পারতো তাদের সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারত বা ভর্তি পরীক্ষা দিতে।
কিন্তু এবার নিয়ম হলো যাদের পয়েন্ট আছে তারা সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না যাদের পয়েন্ট থাকবে তারা শুধুমাত্র আবেদন করতে পারবে। আবেদন করার পর সবার গুনা যাচাই-বাছাই করে সেখান থেকে যাদেরকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য ঘোষণা করা হবে। তারাই পরীক্ষা অংশগ্রহণ করবে পরীক্ষা দেবে।
এ সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল যে ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপরীক্ষা যাবে সেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মহাদয়রা।
Vice-chancellor মহোদয়রা যে বিষয়টি জানান সেটি হল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যখন খুলে দেবে তার পরেই ভর্তি পরীক্ষা টা আমরা নিতে চেষ্টা করব বা নেব তখন যাদের যাদের হবে শর্ত গুলো পূরণ হবে তারা তারা আবেদন করতে পারবে। এজন্য আমরা কোনো আবেদন ফি নিব না বা তাদের আবেদন করতে কোন রকম টাকা খরচ করতে হবে না। জাস্ট পয়েন্ট থাকা বা যে শর্তগুলো চাওয়া হয় প্রাথমিকভাবে শর্তগুলো যখন তার পূরণ করবে। তখনই তারা আবেদন করে দিতে পারবে এজন্য তাদেরকে কোন রকম টাকা পয়সা খরচ করে আবেদন করতে হবে না।
প্রাথমিক আবেদনের পর সমস্ত শিক্ষার্থীদের কে দেখা হবে অর্থাৎ তাদের বিষয়টি দেখা হবে দেখার পরে যাদেরকে ভর্তির জন্য যোগ্য মনে হবে। বা যাদেরকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হবে বাছাই করা হবে তাদেরকে বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হবে তারা বিষয়টি জানতে পারবে। যে তারা ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাছাইকৃত হয়েছে তারপর তারা ম্যানুয়াল আবেদন করতে পারবে। আবারও তারা নেওয়ার আবেদন করবে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আর তখনই ভর্তি পরীক্ষার জন্য যে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেটি তাদেরকে দিতে হবে অর্থাৎ তাদেরকে 500 টাকা দিয়ে আবেদন করতে হবে।
সেখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেটি হল ভর্তি পরীক্ষার জন্য ভুল নাম্বার প্রদানের জন্য নাম্বার কাটা যাবে।
তবে কত নাম্বার কাটা যেতে পারে বা কত নাম্বার করে প্রতি প্রশ্নের জন্য কাটা হবে সেটি এখন পর্যন্ত জানায়নি উপাচার্য মহোদয়। এবং কত শিক্ষার্থীদের কে সেখানে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হবে এবং কতজন শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে সেটিও জানা হয়নি। এমনকি এটাও জানা হয়নি যে প্রাথমিকপর্যায়ে কতজন শিক্ষার্থী আবেদন করবেন এবং বাসায় কিত হওয়ার পর কতদিন শিক্ষার্থী আবেদন করবেন। এবং কতজনকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হবে এসব বিষয়গুলো জানা যায়নি।
ভুল নাম্বারের জন্য বা ভুল প্রশ্নের জন্য নাম্বার কাটা সেটি অন্য সময় যেভাবে হয়েছে সেভাবেই হবে বলে জানিয়েছেন এক উপাচার্য তবে সে উপাচার্য বাছাইকৃত সম্পর্কে কিছু বলেন নি।
সেখান থেকে আরো জানা যায় যে এই পরীক্ষাতে ফেল করবে না। সবাই যার যার অবস্থান থেকে যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী নাম্বার পাবে। এখানে কোন পাশ ফেল কিছু থাকবে না থাকবে তাদের উত্তর অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট স্কোর তাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে বা তাদেরকে বাছাই করা হবে। এবং যারা সুযোগ্য তাদেরকে সুযোগ করে দেয়া হবে সেই অনুযায়ী।
দ্বাদশ এবং দশম শ্রেণীতে নিয়মিত ক্লাস অন্যান্য শ্রেণীতে সপ্তাহে এক দিন ক্লাস হবে
