সাভারে সেতুর ফাটল রাজধানীর সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ বিঘ্ন

Bangla news

 সাভারে সেতুর ফাটল রাজধানীর সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ বিঘ্ন 

সাভারে সেতুর ফাটল রাজধানীর সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ বিঘ্ন


ঢাকা শহরের সালিপুরে ঢাকা-আরিচা মহানগরে পাশাপাশি দুটি সেটির সেতুতে ফাটল দেখা দেয়। এতে করে ঢাকার সাথে উত্তর এবং দক্ষিণ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিঘ্ন ঘটে এবং যানজটের সৃষ্টি হয়।


ঢাকা সড়ক নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানা যায়, নব্বই দশকে ঢাকা সাভারের সালি পুরে তুরাগ নদীর উপরে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম পারে পাশাপাশি দুটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। পূর্ব পাশের সেতু দিয়ে অন্য অঞ্চল থেকে আসা যানবাহনগুলো রাজধানীতে ঢোকে এবং পশ্চিম পাশে সেতুটি দিয়ে রাজধানী থেকে যানবাহনগুলো অন্যান্য অঞ্চলে বের হয়। গতকাল বুধবার সে দুটি সেটির মধ্যে পূর্ব সেতু গারে ফাটল ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করে না। এবং সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে করে ঢাকায় সাথে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ বিঘ্ন ঘটে গতকাল বুধবার থেকে।


ঢাকা সাভারের ট্রাফিক পুলিশ থেকে জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সালেপুর পূর্ব পাশের সেতুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং পূর্ব পাশের সেতুটি বন্ধ করে দিয়ে যানবাহনের জন্য পশ্চিম পাশে সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। দুপাশের যানবাহনগুলো একসাথে দিয়ে চলাচল করে যার ফলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সাথে রাজধানীর সাথে উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিঘ্ন ঘটতে থাকে।


ঢাকা সাভারের সালে পুরে পশ্চিম পাশে সেতুটি চালু করে দেওয়া হয় এবং পূর্ব পাশের সেতুটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এর ফলে সেতুর উভয় পাশে যানজটের সৃষ্টি হয় এই যানজট 8 থেকে 10 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে যায়।


যানজট থেকে বাঁচার জন্য দূরপাল্লার বাসগুলো দূরপাল্লার যানবাহন গুলো বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে। তাকে বিকল্প পথ হিসেবে রাজধানীর পাশের ভেরি বাদ সড়ক ব্যবহার করে। এর ফলে বুধবার রাতে ওই সড়কে তীব্র যানজট হয়ে থাকে।


সাভার ট্রাফিকের  আব্দুস সালাম বৃহস্পতিবার জানায়, গতকাল সৃষ্টি হওয়া যানজট এখনো চলছে, পশ্চিম পাশে সেতুটি দিয়ে চলাচল চলছে। পূর্ব পাশেরটা অফ করে দেয়া হয়েছে। এবং পশ্চিম পাশে সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল আছে এতে করে যানজট গতকাল রাতের চেয়ে কিছুটা কমছে সকালে।


ঢাকার সড়ক ও জনপথ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শামীম আল মামুন জানান, ঢাকা সাভারের সালিপুর চারপাশের ব্রিজে গাড়ি ফাটল দেখা দেওয়ায় পূর্ব পাশের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। এবং ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে যাতে করে বড় কোনো দুর্ঘটনার কবলে পড়তে না হয়। বড় কোন সমস্যা না হয় এবং আরো বেশী ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য তাৎক্ষণিকভাবে সেতুটি বন্ধ করে দেয়া হয়। সেতুটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে সেতুটি নির্মাণের কাজ চলছে। এ নির্মাণ কাজ অন্তত তিন সপ্তাহ লাগতে পারে। যখন সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাবে। তখন সেটি চালু করে দেওয়া হবে। এবং পূর্বের ন্যায় দুই পাশের সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।