দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভার ভোট নিতে প্রস্তুতি
পুরসভা নির্বাচনের ইতিমধ্যে প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এখন দ্বিতীয় দফার কাজ চলছে এবং দ্বিতীয় দফা ভোট নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হচ্ছে।
পৌরসভা নির্বাচনের প্রথম দফার শেষ করার পর দ্বিতীয় ধাপে মেয়র-কাউন্সিলর সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি করছে নির্বাচন কমিশনার। এবং এতে ষাটটি পৌরসভার ভোট গ্রহণ হবে।
পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা শুরু হবে শনিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। যেসব এলাকায় ভোট চলবে পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় সেসব এলাকায় অর্ধেক ইভিএমে ভোট গ্রহণ হবে এবং বাকিগুলোতে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব জানান করনা ভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটগ্রহণ চলছে।
নির্বাচন কমিশনার অতিরিক্ত সচিব বৃহস্পতিবার জানায়, পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইন-শৃংখলার সদস্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা থাকবে পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার।
তিনি আরো জানান, কিছু এলাকায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ হবে এবং বাকিগুলোতে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেয়া হবে এবং সেসব এলাকাতেও নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক বলেন, নির্বাচন চলাকালীন মেয়র প্রার্থীর মৃত্যুর কারনে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ওইখানে পৌরসভার ভোট স্থগিত করা হয়।
নির্বাচন কমিশনার থেকে বলা হয়ে যায়, নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় প্রচার কাজ শেষ করছে এবং কিছু জায়গাতে বিশৃংখলার সৃষ্টি হল ওরকম উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু হয়নি।
নির্বাচনে নয়টি দলের লড়াই
এই নির্বাচনে প্রধান দুটি দলের নৌকা এবং ধানের শীষ প্রার্থীদের সাথে অন্য সাতটি দল রয়েছে মোট মিলিয়ে নয়টি দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিতে যাচ্ছে।
দ্বিতীয় ফিরিয়ে নেওয়া চলে ধানের শীষ নৌকা ছাড়া জাতীয় পার্টি জাসদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সমস্ত দলগুলো রয়েছে।
দ্বিতীয় দফার এ নির্বাচনে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা রয়েছে। যেখান থেকে লড়বেন ওবায়দুল কাদেরের ভাই আব্দুল কাদের মির্জা। তিনি নৌকা প্রতীকে ভোটে লড়বেন।
নির্বাচন কমিশন থেকে আরো জানানো হয়, ভোটের পরিবেশ ভালো আছে এবং পরিবেশ বজায় রাখতে বিজিবি পুলিশ র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে।
সাধারণ ভোটকেন্দ্রে তিনজন পুলিশ সদস্য সহ আনসার সহ মোট ১১ জন থাকবেন।
গুরুত্বপূর্ণ যে সমস্ত কেন্দ্রগুলো রয়েছে সেগুলোতে চারজন পুলিশ-আনসারসহ মোট ১৩ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে।
এছাড়াও তাদেরকে সহায়তা করার জন্য মোবাইল টিম এবং বিভিন্ন ফোর্স থাকবে যারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করবে ভোটের সময়।
ভোটকেন্দ্রগুলোতে আনসার বাহিনী থাকবে কে কে অস্ত্র নিয়ে থাকবে। এবং কেউ কেউ লাঠি নিয়ে ভোট কেন্দ্রে থাকবে।
