প্রথমদিনে টিকা পেতে পারেন ২০ থেকে ২৫ জন

Bangla news

 
প্রথমদিনে টিকা পেতে পারেন ২০ থেকে ২৫ জন

প্রথমদিনে টিকা পেতে পারেন ২০ থেকে ২৫ জন


মহামারী করোনাভাইরাস এ বাংলাদেশের লোকজন জর্জরিত। শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বের মানুষের করোনাভাইরাসে আতঙ্কে কাজ করছে। তাই তো বিশ্বজুড়ে আসছে করনা ভাইরাসের টিকা।

করোনা ভাইরাসের টিকা বা ভ্যাকসিন আসার প্রথম দিনে ২০ থেকে 25 জনের শরীরে তা দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব

এটিকে কবে নাগাদ দেয়া হবে সেই বিষয়ে তিনি বলেন জানুয়ারি মাসের ২৭ থেকে ২৮ তারিখ এই টিকা প্রয়োগ করা হতে পারে।

আর বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার আসছে ২০ লাখ ভ্যাকসিন যেগুলো ভারত বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ ভারত সরকার থেকে ৩ কোটি ভ্যাকসিন কিনেছে যেগুলো ২৫ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

যদিও বাংলাদেশে করনা ভাইরাসের টিকা ফেব্রুয়ারি মাসে প্রয়োগের কথা ছিল। কিন্তু করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাংলাদেশ জানুয়ারি মাসে চলে আসায় ফেব্রুয়ারি মাসে নয় বরং জানুয়ারি মাসেই করনা ভাইরাসের টিকা বাংলাদেশের মানুষের উপর দেয়া হতে পারে বা দেয়া হবে।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সচিব এসব বিষয়ে জানান। এবং তিনি আরও জানান যে, টিকা কিভাবে দেয়া হবে কীভাবে বিতরণ করা হবে ভ্যাকসিন সে বিষয়েও ইতোমধ্যেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সচিব জানান, প্রথম দিন যারা যারা করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবে তাদের মধ্যে যারা থাকবে তারা হলেন মুক্তিযোদ্ধা প্রশাসন চিকিৎসক শিক্ষক সাংবাদিক পুলিশ এবং সেনাবাহিনী থেকে একজন করে এই টিকা তাদেরকে প্রদান করা হবে ভরাট করা হবে।

যদিও কখন করোনার ভ্যাকসিন বাংলাদেশের মানুষের শরীরে দেয়া হবে সেটা সিওর দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সম্ভাব্য একটা সময় বলা যাচ্ছে যে ২৭ থেকে ২৮ জানুয়ারি যে কোন একদিন এটি দেয়া হবে।

করনা ভাইরাসের টিকা বা ভ্যাকসিন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং উদ্বোধন কাজকর্ম হতে পারে ঢাকা কুর্মিটোলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্যসচিব আরো জানান, করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য তারা বিভিন্ন হাসপাতাল নির্ধারণ করেছেন। এবং সেখান থেকে চারশ থেকে পাঁচশ জনকে দেয়া হতে পারে।

প্রথম দিন টিকা দেওয়ার পর সেটি টেস্ট করা হবে। এরপর এক সপ্তাহ ধরে তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এবং দেখা হয়েছে তাদের মধ্যে কোন কিছু পরিবর্তন হয়েছে কিনা যেটা করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়ার পরে তাদের মধ্যে যদি কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া তেমন কিছু হয়েছে কিনা।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বেক্সিমকো করনা ভাইরাসের টিকা জেলা পর্যায়ে নিয়ে যাবে। আর করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন কর্মসূচির মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোন ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নাগাদ করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পৌঁছে যেতে পারে।

এটিকে গুলো আপাতত বেসরকারি হাসপাতালে দেয়া হবে না।

বর্তমানে করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন গুলো ঠান্ডা চেইনে রাখা হয়েছে এবং সেগুলো সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হবে। এবং যেভাবে অন্যান্য টিকাগুলো পাঠানো হয় বা ভ্যাকসিন গুলো পাঠানো হয়। সেভাবে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে পাঠানো হবে।