দ্বাদশ এবং দশম শ্রেণীতে নিয়মিত ক্লাস অন্যান্য শ্রেণীতে সপ্তাহে এক দিন ক্লাস হবে
মহামারী করোনাভাইরাস এর কারণে ২০২০ সালের ১৭ ই মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে আসছে। যদিও কওমি মাদ্রাসা খোলা রয়েছে।
তবে ইতিমধ্যে সরকার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত থাকার জন্য বলা হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্কুল-কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে খোলার জন্য প্রস্তুতি রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে।
শিক্ষা মন্ত্রি একটি ভার্চুয়াল বক্তব্যে জানান, দ্বাদশ এবং দশম শ্রেণীতে সপ্তাহে প্রতিদিন ক্লাস নেওয়া হবে। তবে দ্বাদশ ও দশম শ্রেণীর ছাড়া অন্য ক্লাস গুলোতে আমরা প্রতিদিন একটি শ্রেণীর ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে কবে খুলে দিতে পারি সে বিষয়ে এখনো বলতে পারছি না বলছি না। তবে চার ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত থাকার জন্য বলা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চার ফেব্রুয়ারির মধ্যে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে করে প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের এবং ছাত্রদের কোন রকম স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাধা না হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় থাকলে শিক্ষার্থীরা সহজে যেতে পারবে।
অন্য দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন অন্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে শিক্ষার হার বেশি। আমাদের দেশে জনসংখ্যা বেশি। সেজন্য শিক্ষার্থীকে অনেক সময় দেখা যায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে গাদাগাদি করে বসতে হয়। বসার জায়গা সংকলন হয়ে থাকে। এবং তাদের যাতায়াত এবং তারা একে অপরের সাথে গায়ে মিশে যাতায়াত করে।
তাদের এই একজনের পাশে আরেকজন বসা একজনের সাথে মিশে আরেকজন শ্রেণিকক্ষে বসা এগুলো থেকে সমস্যা হতে পারে।
তাই আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দশম শ্রেণীতে এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার কথা বলছি। এ ছাড়া অন্য যেসব শ্রেণীগুলো আছে সেগুলোতে সপ্তাহে একদিন করে প্রতি শ্রেণীতে ক্লাস নেওয়ার কথা ভাবছি।
এতে করে আমরা তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করতে পারব তাদের কোন সমস্যা হয় কিনা এ ব্যাপারে আমরা পরে দেখব।
এছাড়া আমাদের জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ নেব। সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। জাতীয় পরামর্শক কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিয়ে থাকবে। এবং সে পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে পারি। সেটা আমরা পরবর্তীতে দেখবো। তবে এখন চার ফেব্রুয়ারির মধ্যে আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
