করোনার পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ যদি করোনা অব্যাহত থাকে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
কোন ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি যদি অব্যাহত থাকে , তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যখন করোনার পকোপ থাকবে না তখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে।
তিনি বলেন আমরা এখন স্কুল-কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলব না। অন্তত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল-কলেজ সব বন্ধ থাকবে।, যদি করনা ভাইরাস অব্যাহত থাকে। যখন করোনা ভাইরাস থাকবে না তখনই আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবো।
শেখ হাসিনা বলেন কিছু কিছু জীবনযাপন আমাদের আস্তে আস্তে উন্মুক্ত করতে হবে। সেখানোও সবাই নিজেকে সুরক্ষিত রেখে কাজ করতে হবে।
মানুষকে বাঁচিয়ে রেখে এবং জীবিকার পথ উন্মুক্ত রাখার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যেসব জায়গায় করোনাভাইরাস বেশি দেখা দেয় নি সেগুলো শিথিল করে দেওয়া হবে। যাতে মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।
ঘরে খাবার ও ঠিকমতো নেই। তারপরও সেই মানুষ ১০০০০ টাকা তুলে দিয়েছে করোনাভাইরাস এ যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সাহায্যের জন্য। আমি মনে করি, সারা বিশ্বে এমন মহৎ দৃষ্টান্ত তিনি সৃষ্টি করেছেন। এত বড় মানবিক গুণ আমাদের অনেক বিত্তশালীদের মাঝেও দেখা যায় না। কিন্তু একজন নিঃস্ব মানুষ যার কাছে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই টাকা দিয়ে সে অনেক কিছু করতে পারত। কিন্তু সে কোন চিন্তা করেনি। সেটা তিনি দান করেছেন। এই যে তিনি একটা মহৎ উদাহরণ দেখালেন বাংলাদেশের মানুষের মাঝে এখনো এই মানবিক বোধটা আছে। কিন্তু আমরা সেটা পায়, যারা নিঃস্ব তাদের কাছ থেকে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্মীয় নেতাদের ধন্যবাদ জানান, যেসব নির্দেশনা গুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো মেনে চলার জন্য। রোজার মাসে সবাইকে বেশি বেশি করে দোয়া করতে হবে, যাতে এই দুর্যোগ থেকে আমরা মুক্তি পায়।
মধ্যবিত্তদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা বলেন, অনেকে আছে যারা হাত পেতে চাইতে পারেনা। তাদের জন্য আলাদা করে তালিকা করতে হবে। তাদের জন্য কার্ড করে দেয়া হবে। সামনে ঈদে আরো এক ধাপ ত্রাণ দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন যারা ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে এই করোনার কারণ এই সময়ে সুদ বেড়ে গেছে বলে চিন্তা করবেন না। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা হবে যাতে সুস্থ স্থগিত থাকে।
তিনি বলেন, বিশ্বে এখন অর্থনৈতিকভাবে মন্দা দেখা দেবে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে কৃষির উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ধান কাটার পর সেই জমি কাজে লাগানোর কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে সারা বিশ্বে এখন স্তব্ধ। এ ভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। এটি সংক্রামক ব্যাধি। কার কখন হবে, তা বোঝা যায়না। এই দুর্যোগের সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।
