প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি
করণা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন যাবত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।অস্থায়ী সরকার যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে যাবে পরে সরকারের দেওয়ার নির্দেশনা মেনে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পুনরায় চালু করা যায় সেই প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর পাশাপাশি বিদ্যালয় খোলার পদ্ধতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পোস্টার ও লিফলেট খোসাসহ একটি প্রস্তাবও বুঝিয়ে বলা হয়েছে অধিদপ্তরকে।
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় গন স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তখন প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনরায় চালু করা যাবে সে সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর সে অনুযায়ী জাতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সহায়তার লক্ষ্যে নির্দেশনাগুলো প্রণয়ন করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য মহামারী করোনাভাইরাস এর কারণে গত মাস থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এবং সর্বশেষ ছুটির মেয়াদ 3 অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
289 প্রতিষ্ঠানগুলো খুলল পরিস্থিতি উন্নত না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খুলবো না বলে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান পরিস্থিতি এখনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মত তৈরি হয়নি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো যায় বিদ্যালয় পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে ৬ টি মাত্রা : নাকি নির্ধারণ নিরাপদে কার্যক্রম পরিচালনা অর্থসংস্থান শিখন সর্বাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পর্যন্ত পৌঁছানোর নিশ্চিতকরণ এবং সুস্থতা ব্যবস্থা বিবেচনা করে এ নির্দেশনাগুলো প্রণয়ন করা হবে বা হয়েছে।
ওই নির্দেশনা গুলোতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা বিস্তারিত ভাবে বলে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলো ৫ পৃষ্ঠায়।
স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং প্রতিটি শিশুর শিখন স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা চাহিদা পূরণ করতেই এসব নির্দেশনা ক্রমাগত অভিযোজন এবং প্রাসঙ্গিক করন করা প্রয়োজন হতে পারে বা হবে।
